Saturday, December 31, 2016

১০টি ইসলাম ধ্বংসকারী বিষয়



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

FireG
মূলঃ আল্লামা শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ্‌ বিন বায (রহঃ) | অনুবাদঃ শাইখ আখতারুল আমান বিন আব্দুস সালাম
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য নিবেদিত। দরূদ ও সালাম অবতীর্ণ হোক সেই মহান নবীর উপর যার পরে আর কোন নবী নেই। আরো নাযিল হোক তাঁর পরিবার বর্গ, সহচর বৃন্দ এবং তাঁর হেদায়াতের অনুসারীদের উপর।
অত:পর হে মুসলিম ভাই! এ কথা জেনে নিন যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সকল বান্দার উপর ইসলামে প্রবেশ করা, উহা আঁকড়ে ধরা এবং উহার পরিপন্থী বিষয় থেকে সতর্ক থাকা ফরজ করেছেন। আর নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সে দিকে আহবান করার জন্যই প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ্‌ এই মর্মে ঘোষণা দিয়ে বলেন, যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অনুসরণ করবে সে হেদায়াত প্রাপ্ত হবে পক্ষান্তরে যে তাঁর থেকে বিমুখ হবে সে পথভ্রষ্ট হবে। তিনি বহু আয়াতে মুরতাদ হওয়ার মাধ্যম, শির্ক ও কুফরীর সকল প্রকার হতে সতর্ক করেছেন।

Monday, December 26, 2016

যুগের সবচেয়ে বড় মানবিক সঙ্কট

গত শুক্রবার ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের মসজিদে জুম্মার খতীব ছিলেন নর্থ আমেরিকার ইসলামি স্কলারদের অন্যতম, সমাদৃত, একজন আলেম ড: আব্দুল্লাহ হাকিম কুইক । খুতবার বিষয় বস্তু ছিল, "The Crisis in Aleppo: Reflections & Resolutions" "আলেপ্পো সঙ্কট  : ভাবনা ও সমাধান"।  সে  প্রেক্ষিতেই আজকের এ লিখা।
আলেপ্পোতে" কি হচ্ছে? যারা আন্তর্জাতিক খবর পড়েন তারা জানেন সিরিয়ার "আলেপ্পোতে" কি হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে যে বিশেষ আলোচনার প্রয়োজন আছে তা সবাই স্বীকার করবেন। প্রথমেই   কয়েক সেকেন্ডের নিচের দুটি ভিডিও শুনা দরকার।

Thursday, December 22, 2016

নাবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য-সমর্থন করার একশত উপায়

অনুবাদ : ইকবাল হোসাইন মাছুম কাউসার বিন খালেদ
সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। নবী ও রাসূলদের শ্রেষ্ঠতম সত্বা, আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম , তাঁর সাথী-সঙ্গী এবং পরিবার-পরিজনের প্রতি সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।
ইসলামের মূলভিত্তি সমূহের একটি হল:
এ কথার ঘোষণা দেয়া যেঃ~ আল্লাহ তাআলা ব্যতীত ইবাদতের উপযুক্ত সত্যিকার কোন মাবুদ নেই ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল।
ইসলামের এ মহান দু’টো ঘোষণার দ্বিতীয়টি হল:~ মুহাম্মাদ [সা:] আল্লাহর প্রেরিত রাসূল।

নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে এ ঘোষণার বাস্তবায়ন করা যায়ঃ
প্রথমতঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা কিছু নিয়ে এসেছেন তা সত্য বলে মেনে নেয়া। তিনি মানব ও জ্বিনসহ সকলের জন্য প্রেরিত। তার প্রধান মিশন হল আল-কুরআন ও সুন্নাহ। এ দু'টো বাদ দিয়ে কোন ধর্ম আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
দ্বিতীয়তঃ তার আনুগত্য করা, তার হুকুমে সন্তুষ্ট থাকা। তার সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ সম্পূর্ণভাবে মেনে নেয়া, তার সুন্নাত ও আদর্শের অনুসরণ করা। এবং এর বাহিরে যা আছে তা প্রত্যাখ্যান করা।
তৃতীয়তঃ নিজের চেয়ে, নিজের মাতা-পিতা ও পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বেশী মুহাব্বত করা-ভালবাসা। এ ভালবাসার যথার্থ রূপ হচ্ছে তাকে সম্মান করা, মর্যাদা দেয়া, সাহায্য করা এবং তার পক্ষ সমর্থন করা।

Sunday, December 18, 2016

কীভাবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসব?


  • কীভাবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসব?
  • ইসলামে ঈদে মীলাদুন্নবী পালনের বিধানের উপর কিছু ফাইল
  • নাবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য-সমর্থন করার একশত উপায়
কীভাবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসব?
মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী

মুমিন মাত্রই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মহব্বত পোষণ করে। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মহব্বত রাখা ঈমানের এক অপরিহার্য অংশ। পরম শ্রদ্ধা, গভীর ভালোবাসা আর বিপুল মমতার এক চমৎকার সংমিশ্রণের সমন্বিত রূপ হচ্ছে 'মহব্বত' নামের এ আরবী অভিব্যক্তিটি। ঈমানের আলোকে আলোকিত প্রত্যেক মুমিনের হৃদয় আলোড়িত হয়, শিহরিত হয়, মনে আনন্দের বীনা বাজতে থাকে যখন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম উচ্চারিত হয়, তাঁর জীবন-চরিত আলোচিত হয় কিংবা তাঁর মুখনিঃসৃত বাণী পাঠ করা হয়। সত্যের দীক্ষায় দীক্ষিত হৃদয় তাঁর আদর্শের শ্রেষ্ঠতায় ও সৌন্দর্যে মোহিত হয়, উম্মতের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় ভালোবাসায় আপ্লুত হয়। তাঁর একনিষ্ঠ দিক নির্দেশনায় পথ খুঁজে পায় পথহারা বিভ্রান্ত মানব সন্তানেরা, আর দুর্বল চিত্তের লোকেরা ফিরে পায় মনোবল। মানবতার কল্যাণকামীরূপেই আল্লাহ তাঁকে প্রেরণ করেছেন এ বিপর্যস্ত ধরাধামে। সত্যিই তিনি তাঁর যুগের যমীনকে মুক্ত করেছেন অশান্তির দাবানল হতে, উদ্ধার করেছেন অজ্ঞানতা ও মুর্খতার নিকষ অন্ধকার হতে। তাইতো জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই তাঁকে বরণ করে নিয়েছে মানবতার বন্ধুরূপে।

Wednesday, December 14, 2016

Ruling on the Call for Rapprochement between Religions (Islam – Christianity – Judaism) – alifta

AbdurRahman.org posted: " The second question of Fatwa no. 7807 Q 2: Is the call for rapprochement between religions (Islam - Christianity - Judaism) a legitimate one? Is it permissible for a Muslim believer to support it? I heard that this is done by some scholars in Al-Az-har"

বইঃ রাসূল ﷺ ২০০ সোনালী উপদেশ


বইঃ রাসূল ﷺ ২০০ সোনালী উপদেশ


200 hadis
সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ আল্লাহ সুবহানুহু ওয়া তাআলা ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করে দিয়ে আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট।
ইসলামের জন্য তিনি দু'টি মূল উৎস নর্ণয় করে দিয়েছেনঃ

(১) আল্লাহর কিতাব (২) তাঁর নাবী (সা) এর সুন্নাহ।
মূলত নাবীর সুন্নাহ এসেছে কুরআন মাজীদের পরিপূরক ও স্পষ্টকারী হিসেবে। সুতরাং রাসূল (সা) এর হাদীসসমূহ সাধারণ বাণী নয়। বরং তা আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলারই ওয়াহীর অন্তর্ভুক্ত। "তোমরা আমার নিকট থেকে একটি আয়াত জানলেও তা প্রচার কর" (৫:২৬৬৯ তিরমিযী হাদিস সহীহ)
এই হাদীস দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে বইটির হাদীসগুলো সংকলন করা শুরু করা হয় এবং নামকরণ করা হয় "রাসূল(সা) এর দুইশত সোনালী উপদেশ।" হাদীস চয়নের ক্ষেত্রে জানা ও মানার সুবিদার্থে ছোট ছোট হাদীসগূলো বিবেচিত হয়েছে। হাদীস সাজানোর ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো নীতি অবলম্বন করা হয়নি যেন পাঠকগণ নাবী (সা) এর পবিত্র হাদীসের বাগানে নিজের ইচ্ছেমত এর ফল আহরণ ও এসব ফুলের সুঘ্রাণ গ্রহণ করতে পারেন। এতে পাওয়া যাবে শারীয়ার বিধান, কখনও আবার ইসলামের আদব শিষ্টাচার এবং কখনও পাওয়া যাবে নাবী (সা) এর মূল্যবান ওয়াসিয়াত-নাসীহাত।

Monday, December 12, 2016

ইসলামে ঈদে মীলাদুন্নবী পালনের বিধানের উপর কিছু বক্তব্য


আজকের বিশ্বে মুসলিম উম্মার অন্যতম উৎসবের দিন হচ্ছে ''ঈদে মীলাদুন্নবী''। সারা বিশ্বের বহু মুসলিম অত্যন্ত জাঁকজমক, ভক্তি ও মর্যাদার সাথে আরবী বৎসরের ৩য় মাস রবিউল আউআল মাসের ১২ তারিখে এই ''ঈদে মীলাদুন্নবী'' বা নবীর জন্মের ঈদ পালন করেন। কিন্তু অধিকাংশ মুসলিমই  এই ''ঈদের'' উৎপত্তি ও বিকাশের ইতিহাসের সাথে পরিচিত নন। যে সকল ব্যক্তিত্ব এই উৎসব মুসলিম উম্মার মধ্যে প্রচলন করেছিলেন তাঁদের পরিচয়ও আমাদের অধিকাংশের অজানা রয়েছে। আমরা জানি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মদিন পালন বা রবিউল আউয়াল মাসে ''ঈদে মীলাদুন্নবী'' পালনের বৈধতা ও অবৈধতা নিয়ে আলেম সমাজে অনেক মতবিরোধ হয়েছে, তবে মীলাদুন্নবী উদযাপনের পক্ষের ও বিপক্ষের সকল আলেম ও গবেষক একমত যে, ইসলামের প্রথম শতাব্দিগুলিতে ''ঈদে মীলাদুন্নবী'' বা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মদিন পালন করা বা উদযাপন করার কোন প্রচলন ছিল না।

A Simple Yet Effective Solution To Our Current Problems


A Simple Yet Effective Solution 
To Our Current Problems
By Hadrat Mawlānā Muhammad Saleem Dhorat hafizahullāh

In the period before the advent of our beloved Messenger sallallāhu 'alayhi wasallam, the whole world was engulfed in the darkness of ignorance. Humans were uncivilised, morally decadent and devoid of good character. When Allāh ta'ālā sent the Leader of all the Ambiyā 'alayhimus salām and the Seal of the Messengers 'alayhimus salām, Muhammad Rasūlullāh sallallāhu 'alayhi wasallam, the entire world was illuminated. By following his example and teachings people of all backgrounds and creeds, Muslim and non-Muslim alike, have achieved great successes throughout the ensuing fourteen centuries.

Sunday, December 11, 2016

A Effective Tipsto Control Anger

 
 Assalam o alikum warahmatullah brothers and sisters,
From the prophetic traditions we learn about an incident where a person comes to the prophet (PBUH) and asks him to give some advice. The prophet (PBUH) says "Don't become angry" every time he asked the same question. Controlling our anger is the first step to "Not to become angry".

Wednesday, December 7, 2016

ফরজ নামাজ পরবর্তী জিকির ও দোয়াসমূহ

ফরজ নামাজের পরে বিভিন্ন জিকির ও দোয়া-দরুদ পাঠ করা মোস্তাহাব। আলেমদের অভিমত হলো, দোয়া কবুলের গুরুত্বপূর্ণ সময় এটা। তাই ফরজ নামাজের সালাম ফিরানো মাত্রই জিকির ও দোয়া না করে উঠে পড়া, দাঁড়িয়ে নামাজ পরবর্তী সুন্নত শুরু করা কিংবা চলে যাওয়া অনুচিৎ।
আবার অনেককে দেখা যায়, ফরজ নামাজের পর অমনোযোগিতা ও অবহেলার সঙ্গে দোয়া করে থাকে। এমন আচরণ চরম ধৃষ্ঠতা ও বেয়াদবি। বরং ফরজ নামাজের পর মনোযোগের সঙ্গে জিকির ও দোয়া করে নিজের দুনিয়া ও আখেরাতকে সুন্দর করা উচিৎ।
অনেক হাদিসে এ সময় জিকির ও দোয়া করার গুরুত্ব বর্ণনা করা হয়েছে। আবার অনেক হাদিসে শিখানো হয়েছে ফরজ নামাজের পর কোন কোন জিকির ও দোয়া করতে হবে।
একদা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল, কোন দোয়া কবুলের অধিক সম্ভাবনা রাখে? তিনি ইরশাদ করলেন, গভীর রাতের দোয়া আর ফরজ নামাজ পরবর্তী দোয়া। -সহিহ তিরমিজি: ৩৪৯৯

Sunday, December 4, 2016

Taqwa and its Benefits



After the passing of Ramadān, it is important that we remind ourselves of the most important lesson the blessed month left us with, that of bringing Taqwā into our lives and doing our utmost to hold fast to it, until we breathe our last.
The importance of Taqwā cannot be over emphasised. Allāh ta'ālā has mentioned the word Taqwā in the Glorious Qur'ān around 70 times in the imperative form and over 250 times in its various derivative forms. The Glorious Qur'ān begins with the statement:
This Book has no doubt in it - a guidance for the Muttaqīn. (2:2)
In other words, though in principle the Glorious Qur'ān is a guidance for all, only those who develop the quality of Taqwā can truly benefit from it.

Monday, November 28, 2016

Allaah (تعالى ) said: “I Have Forbidden Oppression” – Explained by Shaykh Utahymeen

AbdurRahman.org posted: "Title: "I Have Forbidden Oppression" شرح األربعني النبوييه :Title Original Author: Muḥammad Ibn Ṣāliḥ al-'Uthaymīn The Ḥadīth Abū Dharr al-Ghifārī (رضي الله عنه) reported that the prophet (صلّى الله عليه وسلّم) narrated that his lord said: "Oh "

Monday, November 21, 2016

সূরা বাকারাহ, আয়াত: ২৫৪


খাওয়ার হাদীস


হাদীস (প্রার্থনা)


সূরা-হাশর আয়াত:১৯


আয়াতুল কুরসী


সূরা বাক্বারা পাঠ করার ফজিলত


সর্বশ্রেষ্ঠ স্ত্রী


শপথ প্রসঙ্গ

                                                     বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
                                      (পরম করুনাময় আল্লাহের নামে শুরু করিলাম)


أيمان শব্দটি يمين শব্দের جمع (বহুবচন), অর্থ কসম বা শপথ। তবে يمين শব্দের মূল অর্থ ডান হাত। এটি কসম অর্থে ব্যবহৃত হওয়ার কারণ হলো, তখনকার লোকজন শপথ করার সময় একে অপরের হাত ধরত। শরীয়তের পরিভাষায় يمين তথা কসম বলা হয়, আল্লাহ তাআলার নাম কিংবা সিফাত উল্লেখ করে শপথকৃত বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করা।
শপথ দুই প্রকার।
(এক) আল্লাহ তাআলার কোন সৃষ্টি নিয়ে শপথ করা
যেমন- কাবা শরীফ, নবী, আমানত, জীবন, প্রতিমা অথবা আউলিয়া। এ প্রকার শপথ হারাম ও শির্‌ক। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
শুনে রাখ; আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে বাপ-দাদার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। তোমাদের কেউ শপথ করলে আল্লাহ্‌র নামেই করবে অথবা নীরবতা অবলম্বন করবে।[বুখারি ৬১৫৫]
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :
যে ব্যক্তি গাইরুল্লাহ্‌র নামে কসম করল সে শির্‌ক করল। [আবু দাউদঃ ২৮২৯]